Showing posts with label brahma. Show all posts
Showing posts with label brahma. Show all posts
Monday, September 24, 2018
Thursday, August 30, 2018
Mehrangarh Fort
পূর্বতন মারোয়াড় বা মেও্য়ার এর দখল নিলেন ‘ রাঠোর’ গোষ্ঠীর প্রধান রাও যোধা । রাজধানী তখন ম্যান্ডর । ১ বছর ম্যান্ডর প্যালেসে কাটানোর পর রাও যোধা দেখলেন বর্ষ পুরানো এই প্যালেস ঠিকঠাক নিরাপদ নয়। ঠিক করলেন নতুন রাজধানী করবেন । ম্যান্ডর থেকে ৯ কিমি দুরে ‘ভাকুরচিড়িয়া’ নামে একটি পাহাড়ের উপর জায়গা ঠিক হ’ল। ১৪৫৯ সালে পত্তন হ’ল আজকের যোধপুর ।
নতুন প্রাসাদের শুভকামনায় সেই সময়ের রীতি অনুযায়ী, রাজারাম মেগওয়াল নামে মেগওয়াল সম্প্রদায়ের একজন মানুষকে জীবন্ত সমাধি দেওয়া হয়। রাজারাম স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসেন এবং বিনিময়ে তার পরিবারের দায়িত্ব তার মৃত্যুর পর রাঠোর পরিবার গ্রহণ করে।
‘মিহির গড়’, মিহির মানে সূর্য্য, রাজস্থানী ভাষায় উচ্চারন ,‘মেহরন’ তাই মেহরন গড়। রাঠোর বংশের প্রধান উপাস্য সূর্যদেব,সেখান থেকেই এই নামের উৎপত্তি ।
১৪৫৯-৬০ সালে রাও যোধা এই দুর্গের ভিত্তি স্থাপন করলেও এর বেশীর ভাগ নির্মাণ,যা আজ বিদ্যমান, হয়েছিল রাজা যশবন্ত সিং এর আমলে ১৬৩৮-১৬৭৮ সালের মধ্যে।
পাহাড়ের উপর এই দুর্গে পৌঁছনোর ঘুরপথে মোট ৭টি গেট পার হতে হয়। এর মধ্যে বিশেষ ৪টি গেট হ’ল-
- জয় পোল
- ফতেহ্ পোল
- দেড় কাংড়া পোল
- লোহা পোল
দুর্গের ভেতরে রয়েছে মোতি মহল, ফুল মহল, শীস্ মহল, সীলেহ্ খানা, দৌলত খানা ।এবং বিশেষ আকর্ষণ একদম উপরে অর্থাৎ ছাদে সংরক্ষিত কামান ‘কিলকিলা’ ।
রাজস্থানের অন্যান্য দুর্গ গুলি নানা কারনে পরিত্যক্ত হলেও, এই দুর্গটি কিন্তু আজও রাঠোর পরিবারের হাতেই আছে । ভারতবর্ষের বৃহত্তম দুর্গগুলির মধ্যে ‘মেহরন গড়’ একটি । শুধু বড়ই নয় সুন্দরতমও বটে । দুর্গের উপর থেকে নীল যোধপুর শহরের দৃশ্য অসাধারন ।।
Friday, August 24, 2018
Ajmer dargah
ভারতবর্ষের পবিত্রতম দরগা হ’ল আজমের দরগা । সুফি ফকির খাজা মৈনুদ্দিন চিস্তির সমাধি স্থল ।
১১৯২ সালে সুলতান ইলতুতমিসের আমলে ভারতে আসেন এই পার্শী ফকির এবং আজমেরে থাকতে শুরু করেন । প্রচলিত আছে ,তাঁর কিছু অলৌকিক ক্ষমতা ছিল । তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির কারনে সব ধর্মের মানুষ এখানে আসতে পারেন । ১২৩৬ সালে তাঁর মৃত্যু হয় ।
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন তাঁর সমাধি স্থলে স্মৃতি সৌধ তৈরী করেন । এখানে তিনটি দরজা বা তোরন আছে । বাইরের দিকে বুলন্দ দরওয়াজা,নির্মান করেন সুলতান মাহমুদ খিলজি । এরপর শাহ্জাহান-ই গেট,,নামই বলে দিচ্ছে কে করিয়েছিলেন । এবং শেষে নিজাম গেট,রূপোর কাজ করা, তৈরী করান হায়দ্রাবাদের নিজাম মীর ওসমান আলি খান ।।
বিস্তারিত ভ্রমন সূচী পেতে এখানে ক্লিক করুন![]() |
| pic: wikipedea |
Sunday, August 19, 2018
brahma-temple,puskar
প্রাচীন পদ্মপুরাণে আছে ,একবার পরমপিতা ব্রক্ষ্মা ঠিক করলেন মহাযজ্ঞ করবেন । সই মত তিনি উপযুক্ত জায়গা খুঁজছেন । এই সময় একদিন তাঁর হাতে যে পদ্ম থাকে, আচমকা পড়ে যায় । যেখানে পড়ে সেখানে মাটি ফুঁড়ে জল বেরিয়ে আসে এবং জলাশয় তৈরী হয় । এটাই পুস্কর । ‘পুস’ অর্থ পদ্ম ‘কর’ মানে হাত ।
যাইহোক ব্রক্ষ্মা ঠিক করলেন এখানেই তিনি যজ্ঞ করবেন । সেই মত মর্তে এলেন । কিন্তু কোন কারণ বশতঃ তাঁর পত্নী সরস্বতী আসতে পারলেন না। ব্রক্ষ্মা তখন স্থানীয় গায়ত্রী কে বিয়ে করে যজ্ঞ সম্পন্ন করলেন । যথারীতি সরস্বতী ক্রুদ্ধ হলেন এবং পরিণাম অভিশাপ...ব্রক্ষ্মা এখানেই চিরকাল আবদ্ধ থাকবেন ।।
এ’কারণে এখানেই একমাত্র ব্রক্ষ্মা মন্দিরের কথা প্রচলিত । যদিও এটা সত্য নয়,আরো কয়েকটি আছে । তবে এটা সত্যি প্রথম কয়েকটি তীর্থের মধ্যে এটি একটি । ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস্ এই মন্দিরকে প্রথম পাঁচটি তীর্থস্থানের মধ্যে রেটিং দিয়েছে ।
ইতিহাস বিজ্ঞান অনুযায়ী এই মন্দির ১৪শ শতকে নির্মিত হয় । পরে ইসলামিক আক্রমনে ধ্বংস হয় এবং পুণর্নির্মাণ করা হয়।
কার্তিক পূর্ণিমাতে এখানে বিশাল মেলা বসে । একটা হিসাব বলছে প্রায় দে’ড় লাখ মানুষ এখানে আসে ।।।
pic:Wikipedia
বিস্তারিত ভ্রমণসূচী পেতে এখানে ক্লিক করুন
Thursday, August 16, 2018
Howa mahal Jaipur
হাওয়া মহল জয়পুর:
হাওয়া মহলের নাম কে না শুনেছে । সিটি প্যালেসের এক প্রান্ত বরাবর এই মহল ১৭৯৯ সালে রাজা সোয়াই প্রতাপ সিং তৈরী করেন । এর বৈশিষ্ট হ’ল বাইরের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণের মুকুটের ম’ত এর দৃষ্টিনন্দন গঠনশৈলী ।
মৌচাকের অসংখ্য কুঠুরির ম’ত ৯৫৩ টি জানলা বা “ঝারোখা” এর সারা শরীর জুড়ে সাজানো । এই জানলা দিয়ে রাজপরিবারের মহিলারা বাইরের দৃশ্য দেখতেন । এর কারণ আর কিছু নয়, ইসলামিক আক্রমনের পরিণামে বহুবিবাহ এবং পর্দা প্রথার প্রচলন ।
এছাড়া আরেকটি বৈশিষ্ট হ’ল উচ্চতা এবং এর গঠন প্রণালীর দরুণ এই মহলে ঠান্ডা হাওয়া চলাচল । তাই তো এর নাম হাওয়া ম….।।
বিস্তারিত ভ্রমনসূচী পেতে এখানে ক্লিক করুন
Tuesday, July 31, 2018
রাজস্থান রোমাঞ্চ
আমের ফোর্ট জয়পুর:
আম্বের ফোর্ট বা আমের ফোর্ট জয়পুরে বিখ্যাত দ্রষ্টব্য । জয়পুর সিটি থেকে ১০-১১ কিমি দুরে আরাবল্লী পর্বতমালার উপরে অবস্থিত এই স্থাপত্যটি UNESCO world heritage site হিসাবে স্বীকৃত ।
রাজপুত রাজা মান সিং ১৫৯২ সালে এই ফোর্ট তৈরী করেন । এরপরে তাঁর উত্তরসূরী রাজারা প্রায় ২০০ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে এর নির্মান কাজ চালিয়ে যান । রাজপুত রাজাদের পরিবার এবং অন্যান্য রাজকর্মীদের বাসস্থান হিসাবে ব্যাবহৃত হ’ত এই ফোর্ট তাই একে palace ও বলা হয় । palace এর পাদদেশে অবস্থিত সুদৃশ্য মাওটা লেক ছিল এই প্রাসাদের জলের উৎস ।
pic:jaipurtourism.com
লালচে sandstoneএবং marble পাথরের তৈরী এই palace মুঘল এবং হিন্দু স্থাপত্যের এক মনোরম সংমিশ্রণ । এই palace এর মধ্যে অংশগুলি হ’ল, দেওয়ান- ই- আম, দেওয়ান-ই- খাস, শীসমহল, সুখনিবাস এবং জয়মন্দির । নামেই বোঝা যায় কোন অংশের কি ব্যাবহার ছিল । এছাড়া আরেকটি উল্লেখযোগ্য মন্দির এই palace এ রয়েছে “ শীলাদেবী মন্দির” । এই “ শীলাদেবী” ছিলেন যশোরের জমিদার প্রতাপ রায়দের কুলদেবতা । মান সিং প্রতাপ রায়কে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন এবং শীলাদেবীকে এখানে নিয়ে আসেন । এই মন্দিরের দরজা রূপা দিয়ে তৈরী ।
আমের palace এর অদূরেই রয়েছে জয়গড় ফোর্ট । palace এর পিছন দিকে কিছুটা উঁচুতে আরাবল্লীর একটি টিলা চিল- কা- টিলা নামে পরিচিত । এই টিলার উপর অবস্থিত জয়গড় দূর্গ । এই দূর্গটি প্যালেসের সঙ্গে একটি আধা সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে যুক্ত । শত্রু আক্রমন হ’লে আরো বেশী নিরাপদ স্থানে পৌঁছে যাবার জন্য এই ব্যাবস্থা ।
এই আমের ফোর্ট কিন্তু রাজপুত রাজাদের আগে মীনা সম্প্রদায়ের ছিল । মীনা রাজা আলন সিং এই ফোর্ট তৈরী করেছিলেন, পরবর্তীতে কাছওয়া সম্প্রদায় বা রাজপুতরা এর দখল নেয় এবং ১৭২৭ সালে সোয়াই জয় সিং এর আমলে রাজধানী এখান থেকে জয়পুরে স্থানান্তরিত হয় ।।
Monday, July 30, 2018
Subscribe to:
Posts (Atom)








